বাড়িতে থাকা সোনা থেকেই বাড়বে সঞ্চয় গোল্ড মনিটাইজেশন স্কিম কী? জানুন বিস্তারিত

5th December 2023 6:21 pm Country News
বাড়িতে থাকা সোনা থেকেই বাড়বে সঞ্চয় গোল্ড মনিটাইজেশন স্কিম কী? জানুন বিস্তারিত


ভারতীয়দের সোনার প্রতি বিশেষ প্রিতি রয়েছে। যার ফলে দেশের প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই নিশ্চিতভাবে কিছু না কিছু সোনার জিনিস রয়েছে। সোনাকে নিরাপদ সঞ্চয় বলে মনে করা হয়। তবে যদি আপনার সোনার গয়না বেশিরভাগ সময় বাড়িতে পড়ে থাকে তবে আপনি কিছু অতিরিক্ত টাকা উপার্জনের জন্য এটিকে কাজে লাগাতে পারেন।গোল্ড মনিটাইজেশন স্কিমের অধীনে এটি রিজার্ভ ব্যাঙ্কে জমা দিতে পারেন।২০১৫ সালে প্রকল্পটি শুরু হয়েছিল। ২০১৫ সালে শুরু হওয়া এই স্কিমটির উদ্দেশ্য ছিল মানুষের বাড়ি এবং প্রতিষ্ঠানে অব্যবহৃত সোনা অপসারণ করা এবং এর আরও ভাল ব্যবহার করা। সোনার নগদীকরণ ছাড়াও, কেন্দ্র সরকার সার্বভৌম গোল্ড বন্ড স্কিমও চালু করেছে। সময়ে সময়ে, কেন্দ্র সাধারণ জনগণকে সার্বভৌম সোনার বন্ডে বিনিয়োগের সুযোগ দেয়।এই প্রকল্পের অধীনে, কেন্দ্র সরকার দেশে সোনা আমদানির উপর নির্ভরতা কমাতে চায়। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই আট বছরে সরকারি কোষাগারে এসেছে ৮ টন সোনা। সোনা আমদানির কথা বললে, ২০২১ সালে ভারত থেকে ১০৯৭.৭২ টন সোনা আমদানি করা হয়েছিল। এই প্রকল্পের অধীনে কেন্দ্র এই সংখ্যা কমাতে চায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্র সরকার যে সোনার প্রয়োজন তার বেশিরভাগই আমদানি করে। ২০২০ সালে সরকার মাত্র ৪৩০ টন সোনা আমদানি করেছে, যা মাত্র এক বছরে দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। ক্রমবর্ধমান সোনা আমদানি কমানো কেন্দ্র সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ, আমদানির ফলে সোনা পাচারের রমরমাও বেড়েছে। তাই নানা পরিকল্পনার মাধ্যমে জনগণের কাছে পড়ে থাকা অতিরিক্ত সোনা সরকারি কোষাগারে আনতে চায় সরকার।     গোল্ড মনিটাইজেশন স্কিমে কী সুবিধা পাবেন?গোল্ড মনিটাইজেশন স্কিম অর্থাত্‍ জিএমএস থেকে আপনি কী কী সুবিধা পাবেন। এই প্রকল্পের অধীনে, সরকার গ্রাহকদের তাদের সোনার উপর বার্ষিক ৩.৫ শতাংশ সুদ দেয়। দেশের প্রায় সব বাণিজ্যিক ব্যাঙ্ক থেকে আপনি এই স্কিমের সুবিধা পেতে পারেন। গোল্ড মনিটাইজেশন স্কিমের অধীনে, আপনি আপনার গহনা, সোনার কয়েন বা এমনকি ডিজিটাল সোনা জমা করতে পারেন।

 


 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।