ট্রেনের টিকিটে আর লাগবে না পুরো দাম এবার এইভাবে বুক করলেই মিলবে বড় ছাড়

5th December 2023 6:19 pm Country News
ট্রেনের টিকিটে আর লাগবে না পুরো দাম এবার এইভাবে বুক করলেই মিলবে বড় ছাড়


রেল পরিষেবার ওপর ভর করে প্রতিদিন দেশের প্রায় এক কোটি মানুষ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাতায়াত করে থাকেন। ট্রেনের উপর ভর করে যাতায়াতকারী এই সকল প্রতিটি যাত্রীর কাছে যা থাকা প্রয়োজন তা হলো টিকিট (Train Ticket)। টিকিট না থাকলে যাত্রীদের অবৈধ যাত্রী হিসেবে বিবেচনা করে রেল (Indian Railways) এবং তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করে।ট্রেনের টিকিট বুকিং করার ক্ষেত্রে দুই ধরনের পদ্ধতি রয়েছে। একটি হলো অফলাইন এবং অন্যটি হলো অনলাইন। অনলাইন টিকিট মূলত আইআরসিটিসি (IRCTC) সরাসরি অথবা এজেন্টের মাধ্যমে যাত্রীদের প্রদান করে থাকে। অনলাইনে টিকিট বুকিং করার ক্ষেত্রে অনেক সময় ছাড় পেয়ে থাকেন যাত্রীরা। ঠিক সেই রকমই এবার এমন কিছু অফার যাত্রীদের সামনে তুলে দেওয়া হচ্ছে যাতে করে আর পুরো টিকিটের দাম দিতে হবে না যাত্রীদের।    ১) এইচডিএফসি ব্যাংক এবং আইআরসিটিসি যৌথভাবে একটি কার্ড চালু করেছে। ওই কার্ডের মাধ্যমে কোন যাত্রী যদি আইআরসিটিসি থেকে টিকিট বুকিং করে থাকেন তাহলে তিনি রেওয়ার্ড হিসাবে পাঁচ পয়েন্ট পেয়ে থাকেন। এছাড়াও এই কার্ডে পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক দেওয়া হয়। এই কার্ডটির জন্য বার্ষিক ৫০০ টাকা ফি নেওয়া হয়ে থাকে। আবার কোন ব্যক্তি যদি এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে ১.৫ লক্ষ টাকা খরচ করেন তাহলে তাকে কোন ফি দিতে হয় না।  ২) আইআরসিটিসি এবং স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া যৌথভাবে একটি প্ল্যাটিনাম কার্ড চালু করেছে। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রথম ৪৫ দিনের মধ্যে ৫০০ টাকা খরচ করা হলে সেক্ষেত্রে ৩৫০ বোনাস এক্টিভিশন পয়েন্ট পাওয়া যায়। এছাড়াও এই কার্ডের মাধ্যমে কোন যাত্রী যদি আইআরসিটিসি থেকে ট্রেনের টিকিট বুকিং করেন তাহলে চার্জের ক্ষেত্রে ১% ছাড় দেওয়া হয়। এছাড়াও রেলওয়ে লাউঞ্জ ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সুবিধা দেওয়া হয়।   ৩) IRCTC BOB Rupay কার্ডের মাধ্যমে যদি কোন যাত্রী আরসিটিসি থেকে টিকিট বুকিং করেন তাহলে তাকে প্রতি ১০০ টাকা খরচের জন্য রিওয়ার্ড হিসেবে দুই পয়েন্ট দেওয়া হয়। এছাড়াও এই কার্ড চালু করার ৪৫ দিনের মধ্যে ১০০০ টাকা খরচ করলে ১০০০ টাকা বোনাস পয়েন্ট হিসেবে দেওয়া হয়ে থাকে। এই কার্ডের বার্ষিক চার্জ নেওয়া হয় ৩৫০ টাকা।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।