কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য ফেসবুক রিলসে নতুন টুল

6th November 2023 8:10 pm Country News
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য ফেসবুক রিলসে নতুন টুল


কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য রিলসে নতুন টুল যুক্ত করল ফেসবুক। এর মাধ্যমে বিভিন্ন রিলসের মধ্যে পারফরমেন্স তুলনা করা যাবে। এবি টেস্টিং নামে পরিচিত নতুন টুলটি ক্রিয়েটরদের বিভিন্ন ক্যাপশন ও থাম্বনেইলের ছবি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে দেবে। এর ফলে কোনো ভিডিও অডিয়েন্সের কাছে বেশি পৌঁছাবে বা ভিউ হবে তা জানা যাবে।প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট গ্যাজেডটস নাও-এর প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়।যেভাবে কাজ করবে এ টুলস্মার্টফোনে ফেসবুক রিলস তৈরি করার সময় ক্রিয়েটররা চারটি আলাদা ক্যাপশন ও থাম্বনেইলের সমন্বয় যুক্ত করতে পারবে। এর ফলে কনটেন্টের একটি পরীক্ষামূলক পর্যায় শুরু হবে। এসব কনটেন্টের যে সংস্করণটি বেশি ভিউ পাবে, সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পৃষ্ঠায় 'জয়ী ভ্যারিয়েন্ট' হিসাবে দেখানো হবে।ক্রিয়েটররা একটি ভিডিওতে চার ধরনের ভিন্ন ক্যাপশন ও থাম্বনেইল দিয়ে আপলোড করতে পারবে। এর ফলে কোন কনটেন্টের ভিউ বেশি হয় তা পরীক্ষা করা যাবে।ব্যবহারকারীদের একটি পৃথক গ্রুপ ৩০ মিনিটের জন্য একই ভিডিওর বিভিন্ন সংস্করণ দেখতে পাবে। পরীক্ষার পর সর্বাধিক সংখ্যক ভিউয়ের সংস্করণটি নির্বাচন করা হবে এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটরের প্রোফাইলে সেটি দেখানো হবে। তবে ক্রিয়েটর তার পছন্দের ভিডিও সংস্করণ আপলোড করতে পারবে।এখন শুধু মোবাইল ভার্সনেই পাওয়া যাবে ফিচারটি। ভবিষ্যতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্যাপশন এবং থাম্বনেইল তৈরির জন্য এআই টুল চালু করার ইঙ্গিত দিয়েছে মেটা।ক্রিয়েটরদের জন্য নতুন পেশাদার ড্যাশবোর্ডসব পোস্টের পারফরমেন্স দেখতে নতুন পেশাদার ড্যাশবোর্ড চালু করেছে মেটা। এর মাধ্যমে ক্রিয়েটররা সহজে প্রোফাইল থেকে পোস্ট লুকানো বা ট্র্যাশে সরানোর মতো পদক্ষেপ নিতে পারবে।এখন ক্রিয়েটরদের কনটেন্ট কেমন সাড়া ফেলছে, সে সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করবে ফেসবুকের ড্যাশবোর্ড। ২৮ দিনের রিপোর্টের পরিবর্তে পুরো ৯০ দিনের পারফরম্যান্স রিপোর্ট দেখতে পারবে ক্রিয়েটররা।ড্যাশবোর্ডের এসব তথ্যের মধ্যে রয়েছে- ক্রিয়েটরদের অন্যান্য ভিডিওগুলির তুলনায় পৃথক রিলগুলি কতটুকু ভিউ পাচ্ছে। এছাড়া দর্শকেরা ভিডিওর কোন পর্যায়ে এসে তা দেখা বন্ধ করে ও কতবার প্লে করে সেগুলোও এই ড্যাশবোর।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।