লক্ষ্মীবারেও বড় ক্ষতির মুখে পড়ল শেয়ার বাজার।

26th October 2023 5:28 pm Country News
লক্ষ্মীবারেও বড় ক্ষতির মুখে পড়ল শেয়ার বাজার।


শেয়ার বাজারে দুর্দিন কাটছেই না। সোম এবং বুধের পরে লক্ষ্মীবারেও বড় ক্ষতির মুখে পড়ল শেয়ার বাজার। এ দিন সকাল থেকেই ক্ষতির মুখে পড়ে শেয়ার বাজারের সূচক। দিনের শেষে বুধবারের তুলনায় ৯০০.৯১ পয়েন্ট নেমে ৬৩,১৪৮.১৫ পয়েন্টে শেষ করল সেনসেক্স। অন্য দিকে ২৬৪.৯০ পয়েন্ট কমে ১৮,৮৫৭.২৫ পয়েন্টে থামল নিফটি।

সেক্টরগুলির তালিকায় বৃহস্পতিবার ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে (এনএসই) এবং বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে (বিএসই) লাভ করেছে মিডক্যাপ ২৫০, ইউটিলিটি এবং পাওয়ার। বিএসইতে এ দিন সর্বাধিক ক্ষতির মুখে পড়েছে অটো, মেটাল, অয়েল অ্যান্ড গ্যাস। এনএসইতে ক্ষতির তালিকায় মিডক্যাপ সিলেক্ট, মেটাল, অটো।

সংস্থাগুলির তালিকায় বৃহস্পতিবার সেনসেক্সে লাভ করেছে অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক, আইটিসি, এইচসিএল টেক, ইন্ডাসইন্ড ব্যাঙ্ক, এনটিপিসি। নিফটিতে এই তালিকায় রয়েছে অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক, আইটিসি, এইচসিএল টেক, আদানি পোর্ট, ইন্ডাসইন্ড ব্যাঙ্ক। সেনসেক্সে সর্বাধিক ক্ষতির মুখে পড়েছে মহিন্দ্রা অ্যান্ড মহিন্দ্রা, বজাজ ফিন্যান্স, এশিয়ান পেন্টস, বজাজ ফিনসার্ভ, নেসলে ইন্ডিয়া। নিফটিতে এই তালিকায় রয়েছে মহিন্দ্রা অ্যান্ড মহিন্দ্রা, বজাজ ফিন্যান্স, ইউপিএল, এশিয়ান পেন্টস, বজাজ ফিনসার্ভ। সেনসেক্স এবং নিফটিতে ক্ষতির শীর্ষে থাকা মহিন্দ্রা অ্যান্ড মহিন্দ্রার ক্ষতির পরিমাণ যথাক্রমে ৪.০৬ এবং ৪.০২ শতাংশ।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।