ভারত-নিউ জ়িল্যান্ড ম্যাচে কি বাধ সাধবে বৃষ্টি? কী বলছেন পূর্বাভাস?

21st October 2023 6:13 pm Country News
ভারত-নিউ জ়িল্যান্ড ম্যাচে কি বাধ সাধবে বৃষ্টি? কী বলছেন পূর্বাভাস?


ভারত-নিউ জ়িল্যান্ড ম্যাচে কি বাধ সাধবে বৃষ্টি? কী বলছে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস?গত ২০ বছরে আইসিসি-র কোনও প্রতিযোগিতায় ভারত হারাতে পারেনি কিউয়িদের। শেষ বার ২০০৩ বিশ্বকাপে তারা নিউ জ়‌িল্যান্ডের বিরুদ্ধে সাত উইকেটে জিতেছিল। সাম্প্রতিক ফর্মের বিচারে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই অপেক্ষা করে হয়েছে। শেষ বার ধর্মশালায় খেলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নেদারল্যান্ডস। সেই ম্যাচটি ৪৩ ওভারের হয়েছিল।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দ্বিতীয় ইনিংস চলাকালীন বৃষ্টি এসে ম্যাচে বিঘ্ন ঘটাতে পারে। সন্ধে ৭টা নাগাদ ১৯ শতাংশ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রাত ৯টায় তা বেড়ে হবে ২৪ শতাংশ। রাত ১০টায় তা বেড়ে হবে ৪৭ শতাংশ। এ ছাড়া, ম্যাচের পুরো সময়ই আকাশ মেঘলা থাকবে। ফলে জোরে বোলারেরা সুবিধা পেতে পারেন।আইসিসি-র নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচের ফলাফল পেতে অন্তত ২০ ওভার করে বল করতে হবে। যদি সেটা না হয় তা হলে ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হবে। এই ম্যাচের কোনও রিজ়ার্ভ ডে নেই। তাই ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে দুই দলই এক পয়েন্ট করে পাবে। প্রসঙ্গত, গত বিশ্বকাপে ভারত বনাম নিউ জ়িল্যান্ড গ্রুপের ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে গিয়েছিল।









 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।