সুপ্রিম কোর্টে কামদুনি কাণ্ড: মুক্তিপ্রাপ্তদের একতরফা ছাড় নয়, জারি বিধি-নিষেধ

19th October 2023 9:23 pm Country News
সুপ্রিম কোর্টে কামদুনি কাণ্ড: মুক্তিপ্রাপ্তদের একতরফা ছাড় নয়, জারি বিধি-নিষেধ


কামদুনি ধর্ষণ কাণ্ডে মুক্তিপ্রাপ্তদের উপর বিধি-নিষেধ আরোপ করল সুপ্রিম কোর্ট। কামদুনি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায় মোতাবেক মুক্তি পাচ্ছিলেন আমিন, আমিনুর, ইমানুল ও ভোলানাথ। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিল রাজ্য সরকার ও কামদুনির প্রতিবাদীরা। বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানি ছিল।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, আমিন, আমিনুর, ইমানুল ও ভোলানাথের মুক্তি নিঃশর্ত নয়।কী কী বিধি-নিষেধ আরোপ হল?সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক-১০ বছর আগে কী ঘটেছিল?২০১৩ সালে উত্তর ২৪ পরগনার কামদুনির ঘটনা রাজ্যজুড়ে রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছিল। কলেজ থেকে ফেরার সময় কামদুনির এক তরুণীকে গণধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে। ক্ষোভে ফেটে পড়ে ওই এলাকা। পরে ওই মৃতার বাড়িতে গিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে দাঁড়িয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশ্বাস ছিল, এই ঘটনায় দোষীদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করবে প্রশাসন।২০১৬-তে নিম্ন আদালতের রায়নিম্ন আদালতের নির্দেশ মোতাবেক কামদুনি ধর্ষণ কাণ্ডের মূল দুই অভিযুক্ত আনসার আলি ও সইফুল আলির মৃত্যুদণ্ড হয়। এছাড়া আমিন, আমিনুর, ইমানুল ও ভোলানাথের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ হয়।হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়নিম্ন আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করেন সাজাপ্রাপ্তরা। ২০১৩ সালে কামদুনিতে কলেজছাত্রীর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার ১০ বছর পর রায় ঘোষণা করে কলকাতা হাই কোর্ট। ডিভিশন বেঞ্চ মূল অভিযুক্ত আনসার আলি ও সইফুল আলির মৃত্যুদণ্ড রদ করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। আর আমিন, আমিনুর, ইমানুল ও ভোলানাথ মুক্তি পায়। এই রায় ঘোষণার পর আদালত চত্বরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন কামদুনির নির্যাতিতার পরিবার ও কামদুনি আন্দোলনের প্রতিবাদীরা। এই নির্দেশের জন্য রাজ্য সরকারের ভূমিকাকে দায়ী করা হয়।কী নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের?এরপরই রাজ্য সরকারের তরফে কামদুনি রায়ের বিরোধিতায় শীর্ষ আদালতে স্পেশাল লিভ পিটিশন দাখিল হয়। মামলা করেন কামদুনির প্রতিবাদীরাও। এদিন সেই আবেদনের ভিত্তিতেই অন্তবর্তীকালীন নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোট‌।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।