এশিয়াডে ৫ সোনা পেয়েছে ভারত, ২০২৮-র অলিম্পিক্সে জায়গা হল না সেই কম্পাউন্ড আর্চারির

14th October 2023 6:47 pm Country News
এশিয়াডে ৫ সোনা পেয়েছে ভারত, ২০২৮-র অলিম্পিক্সে জায়গা হল না সেই কম্পাউন্ড আর্চারির


এবারের এশিয়ান গেমসে কম্পাউন্ড তিরন্দাজি থেকে একাধিক পদক পেয়েছেন ভারতীয় অ্যাথলিটরা। যার মধ্যে পুরুষ এবং মহিলা উভয়ই রয়েছেন। এছাড়াও মিক্সড ডাবলস তো রয়েছেই। তিরন্দাজির এই ইভেন্ট থেকে ভারতীয় অ্যাথলিটরা পদক জিতলেও তারা অংশ নিতে পারবে না অলিম্পিক্সে। কারণ অলিম্পিক্সে নেই কম্পাউন্ড ইভেন্ট।ফলে ভারতীয় তিরন্দাজিরা এই বিভাগ থেকে ভালো পারফরম্যান্স করলেও সবচেয়ে বড় মঞ্চে যাওয়ার কোনও রকম সুযোগ থাকে না।বিশ্ব তিরন্দাজি সংস্থার পক্ষ থেকে অলিম্পিক্স কমিটিতে অনুরোধ করা হয়, যাতে আগামী ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক্সে কম্পাউন্ড আর্চেরি বিভাগকে সংযুক্ত করা হয়। যেহেতু তিরন্দাজি অলিম্পিক্সের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু আইওসি অর্থাত্‍ আন্তর্জাতিক অলিম্পিক্স কমিটি সেই প্রস্তাব পুরোপুরি ভাবে খারিজ করে দেয়।গত শুক্রবার অলিম্পিক্স কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিশ্ব তিরন্দাজি সংস্থার কর্তারা। সেখানে একাধিক বিষয় নিয়ে কথা হয়। সূত্রের খবর, এই বিষয় নাকি অলিম্পিক্স কমিটি খুব একটা আগ্রহ দেখায়নি। এমনকী তিরন্দাজি সংস্থার এই প্রস্তাব তারা পুরোপুরি ভাবে বাতিল করে দেয়। স্বাভাবিক ভাবেই হতাশ তিরন্দাজি বিভাগ।তিরন্দাজির এই ইভেন্ট যদি অলিম্পিক্সের সঙ্গে যুক্ত হত, তাহলেও ভারতের ঝুলিতে আরও বেশ পদক আসার সম্ভাবনা থাকত। কারণ, এবারের এশিয়াডে এই ইভেন্ট থেকে একাধিক পদক পয়েছে ভারত। যার মধ্যে রয়েছেন জ্যোতি সুরেখা ভেন্নাম, অদিতি স্বামী, ওজাস দেওতালে। যারা আগামী লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক্সে নামতে পারবেন না। পাশাপাশি অদিতি এবং ওজাস বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপেও ভালো পারফম্যান্স করেছেন। সেই সঙ্গে পুরুষ এবং মহিলাদের ইভেন্ট জিতেছে।প্রসঙ্গত, আইওসি লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক্সের জন্য নতুন নিয়ম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আন্তর্জাতিক ফেডারেশনগুলির কাছ থেকে ১৫টি প্রস্তাব পেয়েছে। কিন্তু একটি ছাড়া বাকি সবগুলি প্রত্যাখ্যান করেছে। শুধুমাত্র বিচ স্প্রিন্ট রোয়িংয়ের অন্তর্ভুক্তি করেছে তারা। 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।