লেবুর রস দেওয়া কফি খেলে কি সত্যিই মেদ ঝরে? আর কী কী উপকার হয়?

10th September 2024 10:56 pm Country News
লেবুর রস দেওয়া কফি খেলে কি সত্যিই মেদ ঝরে? আর কী কী উপকার হয়?


দুধ চা খাওয়ার পাট অনেক দিন আগেই উঠে গিয়েছে। সারা দিন দুধ, চিনি ছাড়া লিকার চা-ই খান। কিন্তু ঘুম থেকে উঠে সকালের প্রথম চা-টা লেবুর রস দিয়ে না খেলে যেন দিন শুরুই হতে চায় না। কিন্তু অনেকের ধারণা, চায়ের বদলে কফিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে তার উপকার অনেক বেশি। সত্যিই কি তাই? ২০০৮ সালে ‘ক্লিনিক্যাল বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড নিউট্রিশন’ জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, শরীরের ওজন বৃদ্ধি এবং মেদ জমার গতি শ্লথ করতে পারে লেবুর রস। পাশাপাশি, ২০২৩ সালে ‘ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন’ জার্নালে প্রকাশিত অন্য একটি গবেষণাপত্র বলছে, পরিমিত পরিমাণে কফি খেলেও ‘টোটাল বডি ফ্যাট’-এর পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে। তবে তা এখনও প্রমাণিত নয়

কফির সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে আর কী কী উপকার হবে?

 

১) কফির সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে প্রদাহজনিত সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকে। কফি এবং লেবুর রস এই দু’টির মধ্যেই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রয়েছে।

 

২) লেবুর রসে রয়েছে ভিটামিন সি। কফিতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। এই দুইয়ের গুণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

 

৩) যে হেতু এই পানীয়ের মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের পরিমাণ অনেকটাই বেশি, শরীরে জমা টক্সিন বা দূষিত পদার্থ দূর করতেও সাহায্য করে লেবুর রস দেওয়া কফি। তাই ত্বকের জন্য এই পানীয় বিশেষ ভাবে উপকারী।

কফির সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে ক্ষতি হতে পারে কি?

 

১) লেবুর রস এবং কফি— দু’টিই অ্যাসিডধর্মী। তাই যাঁদের অম্বলের সমস্যা রয়েছে, তাঁরা এই পানীয় খাবেন না।

 

২) দাঁতের শিরশিরানি বা মাড়িতে কোনও সমস্যা থাকলেও এই পানীয় খাওয়া যাবে না। তাতে অস্বস্তি আরও বেড়ে যেতে পারে। দাঁতের এনামেল নষ্ট হয়ে যাওয়ার পিছনেও লেবু বা কফির ভূমিকা রয়েছে।

 

৩) যাঁদের অনিদ্রাজনিত সমস্যা রয়েছে, তাঁদেরও এই পানীয় খেতে বারণ করা হয়।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।