ফিচার ফোনে দেখা যাবে ইউটিউব পুরনো স্নেক গেম নিয়ে আবার হাজির নোকিয়া

5th July 2024 7:06 pm Country News
 ফিচার ফোনে দেখা যাবে ইউটিউব পুরনো স্নেক গেম নিয়ে আবার হাজির নোকিয়া


ভারতে একসঙ্গে দুটো ফিচার ফোন লঞ্চ করেছে নোকিয়া সংস্থা। সম্প্রতি লঞ্চ হয়েছে নোকিয়া ২২০ ৪জি (Nokia 220 4G 2024) এবং নোকিয়া ২৩৫ ৪জি ২০২৪ (Nokia 235 4G 2024) - এই দুই ফোন। এই দুই ফিচার ফোনে রয়েছে ২.৮ ইঞ্চির IPS LCD স্ক্রিন। একবার চার্জ দিলে নোকিয়ার এই দুই ফোনে ৯ ঘণ্টারও বেশি চালু থাকবে বলে জানিয়েছে সংস্থা।অর্থাৎ বেশ শক্তিশালী ব্যাটারি রয়েছে নোকিয়ার এই দুই ফোনে, যেখানে চার্জ ধরে রাখার ক্ষমতাও বেশি। নোকিয়ার এই দুই ফিচার ফোনে রয়েছে ইউপিআই ট্রানজাকশনের সাপোর্ট। এছাড়াও এই দুই ফোনে রয়েছে ক্লাউড অ্যাপ। নোকিয়া ২৩৫ ৪জি ২০২৪ মডেলে ইউজাররা ইন্টারনেট পরিষেবাও পাবেন বেশ ভালভাবে। তার ফলে দেখতে পাবেন বিনোদন, ব্যবসা এবং শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়। নোকিয়ার ফোন প্রথম যখন ভারতে এসেছিল সেই সময়ে জনপ্রিয় ছিল এই ফোনের 'স্নেক গেম'। নোকিয়া ২২০ এবং নোকিয়া ২৩৫- দুই ফিচার ফোনেই আগে থেকে ইনস্টল করা রয়েছে সেই 'স্নেক গেম'। স্মৃতির সরণি বেয়ে ছোটবেলায় ফিরে যাওয়ার সুযোগও আপনাকে দেবে নোকিয়া সংস্থা।ভারতে নোকিয়া ২২০ এবং নোকিয়া ২৩৫- এই দুই ফিচার ফোনের দাম কত নোকিয়া ২২০ ৪জি ২০২৪ মডেল কেনা যাবে ৩২৪৯ টাকায়। আর নোকিয়া ২৩৫ ৪জি ২০২৪ মডেল কেনা যাবে ৩৭৪৯ টাকায়। নোকিয়ার এই দুই ফিচার ফোন অনলাইনে কেনা যাবে ই-কমার্স সংস্থা অ্যামাজন ইন্ডিয়ার ওয়েবসাইট এবং এইচএমডি ইন্ডিয়ার ওয়েবসাইট থেকে। আর অফলাইনে পাওয়া যাবে দেশের বিভিন্ন রিটেল স্টোরে। নোকিয়া ২২০ ৪জি ২০২৪ ফোন ভারতে লঞ্চ হয়েছে কালো এবং পিচ রঙে। আর নোকিয়া ২৩৫ ৪জি ২০২৪ ফোন দেশে লঞ্চ হয়েছে কালো, নীল এবং পার্পল রঙে।নোকিয়া ২২০ ৪জি ২০২৪ এবং নোকিয়া ২৩৫ ৪জি ২০২৪- এই দুই ফোনে কী কী ফিচার এবং স্পেসিফিকেশন রয়েছে দেখে নিননোকিয়ার নতুন দুই ফিচার ফোনে রয়েছে Unisoc T107 চিপসেট। এর সঙ্গে ৬৪ এমবি র্যাম এবং ১২৮ এমবি ইনবিল্ট স্টোরেজ রয়েছে। স্টোরেজের পরিমাণ মাইক্রো এসডি কার্ডের সাহায্যে ৩২ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। এই দুই ফোন পরিচালিত হবে এস৩০ প্লাস অপারেটিং সিস্টেম আউট অফ দ্য বক্সের সাহায্যে।নোকিয়া ২২০ ফোনে একটি এলইডি টর্চ রয়েছে ফোনের ব্যাক প্যানেলে। 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।