লক্ষীর ভান্ডার এর মতোই টাকা দেবে মোদীর বালিকা সমৃদ্ধি যোজনা রইল আবেদন পদ্ধতি

27th May 2024 10:11 am Country News
লক্ষীর ভান্ডার এর মতোই টাকা দেবে মোদীর বালিকা সমৃদ্ধি যোজনা রইল আবেদন পদ্ধতি


পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে, রাজ্য সরকারের বিশেষ প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে মহিলাদের মনে। প্রকল্পটি নিয়ে আসার পর রাজ্যের সকল মহিলাদের দেওয়া হত ৫০০ টাকা। তবে পরবর্তী কালে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী এই টাকার পরিমাণ বাড়িয়ে করে দেন ১০০০ টাকা । এবার সেই প্রকল্পকে টেক্কা দিতে, প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি নিয়ে এলো দেশের সমস্ত স্কুলে পাঠরত কন্যাদের জন্য দুর্দান্ত একটি প্রকল্প।যার নাম দেওয়া হয়েছে "প্রধানমন্ত্রী বালিকা সমৃদ্ধি যোজনা"। যাতে স্কুলে পাঠরত কম বয়সী কন্যারা বছরে ১০০০ টাকা পর্যন্ত অনুদান পেয়ে থাকবে। 

রাজ্য সরকারের দ্বারা তৈরি করা শিক্ষাশ্রী যোজনায় প্রধানত মাধ্যমিক স্তরের স্কুলে ভর্তি হলে অর্থাৎ পঞ্চম শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্তয় এই প্রকল্পের সুবিধা শিক্ষার্থীরা পেয়ে থাকবে। কারণ নরেন্দ্র মোদি সরকার দেশের মেয়েদের মধ্যে শিক্ষার হার বাড়াতে এবং তাদের আগামী দিনের পথ সুগম করে এগিয়ে নিয়ে যেতে এই প্রকল্প চালু করেছে। তবে এই বালিকা সমৃদ্ধি যোজনার ফলে সমস্ত স্কুলে পাঠরত কন্যাদের আর্থিক অনুদানের পরিমাণ হয়ে দাঁড়াবে সর্বোচ্চ বছরে ১০০০ টাকা।

বালিকা সমৃদ্ধি যোজনা কি?

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরকারের দ্বারা তৈরি করা দেশের স্কুলে পাঠরত কন্যা সন্তানদের জন্য তৈরি করা একটি যোজনা। যার মাধ্যমে সেই সমস্ত কন্যা সন্তানরা বার্ষিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত অনুদান পেয়ে থাকবে। এটা প্রধানত দেশের মেয়েদের মধ্যে শিক্ষার হার বাড়াতেই প্রধান মন্ত্রীর বিশেষ প্রচেষ্টা।

বালিকা সমৃদ্ধি যোজনার বৈশিষ্ট্য :-

এই প্রকল্পের ফলে মেয়েরা অবশ্যই স্কুলে ভর্তি হবে। তারপর প্রথম শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠরত মেয়েরা একমাত্র এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবে। কিন্তু শ্রেণী ভেদে এই যোজনায় প্রাপ্ত অনুদানের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হবে, অর্থাৎ যে শ্রেণীতে পড়বে কন্যা সন্তান সেই অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা পাওয়া যাবে। তবে সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যায়।

আবেদন পদ্ধতি:-

এখানে অনলাইন এবং অফলাইন দুই ভাবেই এই যোজনার আবেদন করা যাবে। যদি অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হয়, তাহলে বালিকা সমৃদ্ধি যোজনা অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন জানাতে হবে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।