কতক্ষণ চলার পর সিলিং ফ্যানের রেস্ট দরকার? বিগড়ে গেলেই কিন্তু গরমে বাড়বে বিপদ

27th April 2024 7:25 pm Country News
কতক্ষণ চলার পর সিলিং ফ্যানের রেস্ট দরকার? বিগড়ে গেলেই কিন্তু গরমে বাড়বে বিপদ


গরমকালে অনেক সময়ই বাড়িতে প্রায় সারা দিনই ফ্যান চালিয়ে রাখতে হয়। এই পরিস্থিতিতে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, একটানা কতক্ষণ ফ্যান চালানো উচিত?কারণ ঘণ্টার পর ঘণ্টা একভাবে চলতে থাকলে ফ্যান ওভারহিট হয়ে ফ্যানের কয়েল পুড়ে যেতে পারে অথবা অন্য কোনও সমস্যাও দেখা দিতে পারে। ফ্যান কেন গরম হয়?ফ্যান চালালে সেটিতে লাগানো মোটর আসলে বিদ্যুৎকে গতিতে পরিবর্তন করে। এর ফলেই ফ্যান গরম হতে থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সিলিং ফ্যান একটানা চালালে প্রতি ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা অন্তর অন্তত এক ঘণ্টা বন্ধ রাখা উচিত।পর্যাপ্ত বিশ্রাম না পেলে একটানা চলতে চলতে ফ্যান খারাপ হয়ে যেতে পারে। এমন কী, ফ্যানের ভিতরের ওয়্যারিংও নষ্ট হয়ে যেতে পারে।  এর পাশাপাশি, ফ্যান চালানোর সময় বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে ফ্যানের ব্লেডগুলি প্রতি মাসে অন্তত একবার করে পরিষ্কার করুন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।