৪২ ডিগ্রির গরমে মাথায় পরতে চান AC হেলমেট কোথায় পাওয়া যাচ্ছে?

27th April 2024 7:11 pm Country News
 ৪২ ডিগ্রির গরমে মাথায় পরতে চান AC হেলমেট কোথায় পাওয়া যাচ্ছে?


প্রতিদিন স্কুলে, অফিসে বা বাজারে যেতেই গলদঘর্ম অবস্থা হচ্ছে সবার। ৪১-৪২ ডিগ্রি তাপমাত্রা নিয়ে এসি ঘরে বলে আলোচনা করছেন অনেকেই। কিন্তু যাঁদের পেশার খাতিরে এই গরমেও সারা দিন রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, তাঁদের কথা ভাবে ক'জন? ঠিক যেমন ট্রাফিক পুলিশ। রোদে পুড়ে গেলেও দিনভর ইউনিফর্ম পরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় রাস্তায়।তাঁদের কথা ভেবেই এবার বিশেষ ধরনের হেলমেট তৈরি করলেন আইআইএম-এর ছাত্ররা।শুধুমাত্র বাংলা নয়, দেশের একাধিক রাজ্যে প্রবল তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এই আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে গুজরাটের ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের ছাত্ররা তৈরি করেছেন এসি হেলমেট। ব্যাটারি চালিত সেই হেলমেট পরলে কষ্ট হবে না প্রবল গরমেও।বিশেষত সূর্যের প্রখর তাপ মাথায় নিয়ে যাঁদের দাঁড়িয়ে থাকতে হয় দীর্ঘক্ষণ, তাঁদের অস্বস্তি কাটাবে এই হেলমেট। গুজরাটের ভদোদরার পুলিশ ইতিমধ্য়েই কর্মীদের সেই হেলমেট দিতে শুরু করেছে। কর্তব্যরত ৪৫০ পুলিশকর্মীকে এই হেলমেট দেওয়া হয়েছে।মনে করা হচ্ছে, এই হেলমেট শুধুমাত্র পুলিশ নয়, সাধারণ মানুষও ব্যবহার করতে পারবে ভবিষ্যতে। তবে কতটা পাওয়া যাবে বাজারে, তার ওপরেই নির্ভর করবে সবটা।বর্তমানে তাপমাত্রা এতটাই বেড়েছে যে গরমের কারণে অসুস্থতাও বাড়ছে। হিট স্ট্রোকের প্রবণতা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সাহায্য করতে পারে এই এসি হেলমেট। একইসঙ্গে বাইক আরোহীদের সুরক্ষাও দেবে এটি।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।