রোদ থেকে ফিরলেই মাথা যন্ত্রণা করে? কোন নিয়মগুলি মেনে চললে এমন আর হবে না?

18th March 2024 3:28 pm Country News
রোদ থেকে ফিরলেই মাথা যন্ত্রণা করে? কোন নিয়মগুলি মেনে চললে এমন আর হবে না?


এখনও সে ভাবে গরম পড়েনি। কিন্তু দিনের বেলায় বাইরে বেরোলেই ঘাম জমছে কপালে। সেই সঙ্গে প্রবল মাথা যন্ত্রণা। যাঁদের রোজ রোদে বেরোতে হচ্ছে, মাথা যন্ত্রণার সমস্যায় তাঁরা বেশি ভোগেন। তা ছাড়া গরমের কারণে ঘুম না হওয়া, মানসিক চাপ বেড়ে যাওয়া, শরীরে জলের ঘাটতির মতো কয়েকটি কারণের জন্য মূলত মাথায় যন্ত্রণা হয়। তবে মাথায় যন্ত্রণা করছে মানেই ওষুধ খেতে হবে, তার কোনও মানে নেই। বরং ঘরোয়া উপায়েও স্বস্তি পেতে পারেন।

১) মাথা যন্ত্রণা হলেই চা বা কফির উপর নির্ভর করেন অনেকেই। অনেকের ধারণা, চা বা কফি মাথাব্যথা সারায়। আসলে কফিতে থাকা ক্যাফিন স্নায়ুকে উদ্দীপ্ত করে, ফলে ব্যথা কমেছে বলে মনে হয়। সে ধারণা ভুল। উল্টে মাথাব্যথা বাড়িয়ে দিতে পারে ক্যাফিন। তাই দ্রুত মাথা যন্ত্রণা সারাতে বরং দূরে থাকুন কফি থেকে।

 

২) গ্রীষ্মে শরীরে জলের পরিমাণ কমে যায়। জলের ঘাটতি থেকেই নানা শারীরিক সমস্যা বাসা বাঁধে শরীরে। মাথাব্যথা তেমনই একটি সমস্যা। তাই বেশি করে জল খাওয়া প্রয়োজন। সারা দিনে ৮-১০ গ্লাস জল খাওয়া জরুরি। মাথা ব্যথা শুরু হলে জল খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। তাতে ব্যথা কমবে।

৩) মাথা যন্ত্রণা শুরু হলে সেই মুহূর্ত কাজ থেকে বিশ্রাম নিন। সম্ভব হলে অন্ধকার ঘরে চোখ বুজে বসে থাকুন। আধ ঘণ্টা চোখ বুজে বিশ্রাম নিন। এই সময়টুকু মোবাইল বা টিভি দেখবেন না। তাতে যন্ত্রণা আরও বেড়ে যেতে পারে।

৪) মাথা যন্ত্রণার ঘন ঘন প্রভাব এড়াতে ফিটনেস প্রশিক্ষকের সঙ্গে পরামর্শ করুন। শরীরচর্চার অভাবে অনেক সময়ে এমন হয়। তাই সুস্থ থাকতে নিয়ম করে শরীরচর্চার উপর জোর দিন। এ ছাড়া, মাথা যন্ত্রণার কমানোর কিছু নির্দিষ্ট ব্যায়াম আছে। সেগুলি জানা থাকলে যন্ত্রণার সময়ে করতে পারেন। স্বস্তি পাবেন। তা ছাড়া, রোজের শরীরচর্চার অভ্যাসে মাথা যন্ত্রণা-সহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দূর হয়।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।