ভেটকি নেই বাড়িতে? বিকেলে ভাজাভুজি খেতে মন চাইলে বানিয়ে ফেলুন ডিমের ফিঙ্গার

23rd February 2024 10:34 am Country News
ভেটকি নেই বাড়িতে? বিকেলে ভাজাভুজি খেতে মন চাইলে বানিয়ে ফেলুন ডিমের ফিঙ্গার


দুপুরে যতই পঞ্চব্যঞ্জন খাওয়া হোক, সন্ধ্যা নামার মুখে পেটের মধ্যে ঠিক ছুঁচোয় ডন মারতে শুরু করবে। বিশেষ করে অফিসে থাকলে আরও বেশি খিদে পেয়ে যায়। কাজের ফাঁকে দুপুরে ঠিক করে খাওয়া হয় না। ফলে সূর্য ডুবতে না ডুবতেই খিদে পেয়ে যায়। বাড়ি ফিরেই খাবার সরবরাহকারী অ্যাপগুলিতে উঁকিঝুঁকি মারা শুরু হয়। তবে রোজ রোজ বাইরের খাবার খাওয়া মোটেও ভাল নয়। বাড়িতে আর কিছু থাকুক বা না থাকুক ডিম থাকেই। ডিম দিয়েই বানিয়ে ফেলতে পারে সুস্বাদু নাস্তা! ফিশ ফিঙ্গার তো অনেক বার খেয়ে থাকবেন, এ বার বানিয়ে ফেলুন এগ্ ফিঙ্গার।

উপকরণ:

 

ডিম: ৬টি

পেঁয়াজ কুচি: আধ কাপ

 

চিলি ফ্লেক্স: ১ টেবিল চামচ

 

অরিগ্যানো: ১ টেবিল চামচ

 

গাজর কুচি: ২ টেবিল চামচ

 

ক্যাপসিকাম কুচি: ২ টেবিল চামচ

 

নুন ও গোলমরিচ: স্বাদ মতো

 

বিস্কুটের গুঁড়ো: ২৫০ গ্রাম

 

কর্নফ্লাওয়ার: আধ কাপ

প্রণালী:

 

ডিমগুলি একটি বড় বাটিতে ভাল করে ফেটিয়ে নিন। এ বার একে একে পেঁয়াজ কুচি, গাজর কুচি, ক্যাপসিকাম কুচি, চিলি ফ্লেক্স, অরিগ্যানো, নুন ও গোলমরিচ দিয়ে আবার ফেটিয়ে নিন। একটি বড় ছড়ানো পাত্রে ডিমের মিশ্রণটি দিয়ে ভাপিয়ে নিন। ভাপানোর জন্য কড়াইতে জল দিয়ে তার উপর একটি স্ট্যান্ড দিয়ে পাত্রটি বসিয়ে ভারী কিছু দিয়ে চাপা দিন। মিনিট পনেরো পর ডিম ভাপা হয়ে এলে ঠান্ডা করে লম্বা লম্বা করে ফিঙ্গারের আকারে টুকরো করে নিন। এ বার ফিঙ্গারগুলি কর্নফ্লাওয়ারের মিশ্রণে ডুবিয়ে বিস্কুটের গুঁড়ো মাখিয়ে ফ্রিজ়ারে ভরে রাখুন। খিদে পেলেই ডোবা তেলে ভেজে নিয়ে টম্যোটো সস্ ও মেয়োনিজ়ে ডুবিয়ে উপভোগ করুন এগ্ ফিঙ্গার।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।