৫ মিনিটে চোখের নিচে কালো দাগের সমাধান জেনেনিন বিস্তারিতভাবে

13th February 2024 8:05 pm Country News
৫ মিনিটে চোখের নিচে কালো দাগের সমাধান  জেনেনিন বিস্তারিতভাবে


ভাল স্বাস্থ্য পেতে ঘিয়ের জুড়ি মেলা ভার। রান্নার স্বাদ বাড়াতেও ঘিয়ের জবাব নেই। আর যারা নিরামিষ খান, তাদের কাছে তো ঘি একেবারে নয়নের মণি। তবে জানেন কি, হেঁশেলের এই উপকরণটি আপনার রূপচর্চার ক্ষেত্রেও দারুণ উপকারী। চোখের তলায় কালি, বলিরেখা, কালচে দাপ-ছোপ তুলতে ঘিয়ের উপর ভরসা রাখতেই পারেন।প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজ হিসেবেও এই উপাদানটি ব্যবহার করা যেতে পারে। চলুন এবার জেনে নেয়া যাক ত্বকের পরিচর্যায় কীভাবে ব্যবহার করবেন ঘি-

>> দুই টেবিল চামচ ঘি, দুই টেবিল চামচ বেসন, এক টেবিল চামচ দুধ মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। মিশ্রণটি সারা মুখ এবং গলায় লাগিয়ে শুকোতে দিন। তার পর ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দু'বার এই ফেস মাস্কটি ব্যবহার করতে পারেন। এই ফেসপ্যাক ত্বকের মৃত কোষ দূর করে, ত্বকের তৈলাক্ত ভাব ও ব্রণ কমায়।

>> এক টেবিল চামচ ঘি ও এক টেবিল চামচ মধু ভালো করে মিশিয়ে মুখে লাগান। ১৫-২০ মিনিট রাখার পর ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন। দিনে এক বার এই প্যাকটি লাগাতে পারেন। মধুর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও অ্যান্টি-মাইক্রোবায়াল বৈশিষ্ট্য ত্বকের বলিরেখা কমাতে দারুণ কাজ করে। মধু এবং ঘিয়ের ফেস মাস্ক ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে।

>> চোখের তলার কালো কালি তোলার জন্য জন্য দুই থেকে তিন ফোঁটা ঘি আঙুলে নিয়ে আলতো করে চোখের নিচে মালিশ করুন। এভাবে সারা রাত রেখে দিন। সকালে ঠান্ডা জলে চোখ ধুয়ে ফেলুন। ঘি প্রয়োগ করলে চোখের নিচের অংশ নরম ও আর্দ্র হয়। চোখের তলায় কালিও দূর হয়।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।