মূত্রনালিতে সংক্রমণের কারণে মাঝেমাঝেই বিপাকে পড়েন? কোন পানীয়ে চুমুক দিলেই পাবেন নিস্তার

12th February 2024 2:45 pm Country News
মূত্রনালিতে সংক্রমণের কারণে মাঝেমাঝেই বিপাকে পড়েন? কোন পানীয়ে চুমুক দিলেই পাবেন নিস্তার


কষা মাংস থেকে নিরামিষ তরকারি— মশলার গুণেই স্বাদ আসে খাবারে। তবে কিছু মশলা এমনও আছে যা শুধু রান্নাকে স্বাদে-গন্ধে অতুলনীয় করে তোলে না, একই সঙ্গে খেয়াল রাখে স্বাস্থ্যেরওও। স্বাস্থ্যকর মশলা হিসাবে হলুদ, জিরে, মেথি যথেষ্টই পরিচিত। তবে এই তালিকায় সংযোজন হতে পারে ধনেরও।

ধনেতে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, এ, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের মতো উপকারী উপাদান, যা হজমজনিত সমস্যা দূর করে। রোজ সকালে চায়ের বদলে ধনের জল খাওয়ার গুণ অনেক। জেনে নিন, আর কী কী উপকারে আসে এই পানীয়।

১) শরীরে জমা দূষিত পদার্থ এই জল বার করে দিতে সাহায্য করে। দিনের ২-৩ বার এই জল খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই বেড়ে যায়। এর পাশাপাশি সংক্রমণের ঝুঁকিও কমে। মূত্রনালিতে সংক্রমণ বা ইউটিআইয়ের সমস্যা হলেও এই পানীয় সপ্তাহখানেক খেলে তা থেকে রেহাই মেলে।

২) অতিরিক্ত খাওয়াদাওয়া হয়ে গিয়েছে, পেট আইঢাই করছে। এমন পরিস্থিতিতে অ্যান্টাসিড না খেয়ে ধনের জল খেলে শরীর পেট হালকা হবে। অস্বস্তি কমবে।

 

৩) ওজন কমাতে তো অনেকেই অনেক কিছু করেন। নিয়মিত এই জল খেয়েও দেখতে পারেন। হজমশক্তি বাড়বে অনেকটাই। ফলে ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

৪) যাঁদের হাড়ের সমস্যা, বাতের ব্যথা বা গাঁটে গাঁটে যন্ত্রণা হয়, তাঁরা এই জল খেয়ে দেখতে পারেন। অনেকটাই কমবে এই সমস্যা।

 

৫) ধনের বীজ ভেজানো জলের সবচেয়ে বড় গুণ কিডনি পরিষ্কার করা। যাঁদের কিডনি দুর্বল, তাঁদের শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ সহজে বেরোতে চায় না। শরীরে টক্সিন জমা হতে থাকে। এই জল তাঁদের কিডনিকে দূষণমুক্ত করে দেয়।

 

কী ভাবে বানাবেন?

 

২ কাপ জলে ১ কাপ ধনে মিশিয়ে ৫ মিনিট ফুটিয়ে নিন। তার পরে আরও ২ মিনিট অল্প আঁচে রেখে দিন। এ বার ছেঁকে নিয়ে চায়ের মতো পান করুন এই পানীয়।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।