কোনও প্রসাধনীই অনন্তকাল ব্যবহার করা যায় না, ড্রেসিং টেবিলের কোন জিনিসটির মেয়াদ কত দিন?

4th February 2024 10:28 am Country News
কোনও প্রসাধনীই অনন্তকাল ব্যবহার করা যায় না, ড্রেসিং টেবিলের কোন জিনিসটির মেয়াদ কত দিন?


খাবার কেনার আগে প্যাকেটের গায়ে লেখা মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখটিতে অনেকেই চোখ বুলিয়ে নেন। এর ফলে বুঝে নিতে সমস্যা হয় খাবারটি কত দিন পর্যন্ত খাওয়া যাবে। কিন্তু প্রসাধনীর গায়ে ব্যবহারের এমন কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা লেখা থাকে না। তার মানে এই নয় যে, দাম দিয়ে কেনা প্রসাধনী অনন্তকাল ধরে ব্যবহার করতে পারবেন। কারণ প্রসাধনীরও মেয়াদ উত্তীর্ণের একটা সময়সীমা থাকে। তাই এগুলি অত্যন্ত সতর্ক হয়ে ব্যবহার করতে হয়। তবে সে ক্ষেত্রে জেনে নিতে হবে কোন প্রসাধনী কত দিন পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন?

আইলাইনার

 

আইলাইনার দিয়ে চোখ আঁকলে বেশ সুন্দর দেখায়। তবে একটা আইলাইনার ঠিক কত দিন পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়, তা জেনে রাখা জরুরি। তরল আইলাইনারের মেয়াদ তিন থেকে চার মাস পর্যন্ত। তবে পেনসিল হলে সেটা বছর দুয়েক ব্যবহার করতে পারেন।

আইশ্যাডো

 

আইশ্যাডো দু’রকমের হয়। পাউডার এবং ক্রিম জাতীয়। অনেকেই আবার ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দু’টোই ব্যবহার করেন। আইশ্যাডো ব্যবহারেরও কিন্তু নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে। পাউডার আইশ্যাডো ব্যবহারের সময়সীমা ২ বছর। কিন্তু ক্রিমজাতীয় আইশ্যাডো বছরখানেকের বেশি ব্যবহার করা ঠিক হবে না।

ফাউন্ডেশন

 

নিয়মিত না হলেও বিয়েবাড়ি, পার্টি কিংবা অন্য কোনও জমকালো অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশন ব্যবহার করেন অনেকেই। মাঝেমাঝে ব্যবহার করার ফলে খরচও হয় অল্প পরিমাণে। এক বার কিনলে অনেক দিন থেকে যায় ফাউন্ডেশন। তবে তার মানে এই নয় যে, একটা ফাউন্ডেশন কিনে সারা জীবন ব্যবহার করবেন। ফাউন্ডেশন সর্বোচ্চ ভাল থাকে এক থেকে দে়ড় বছর। প্রসাধনীর গায়ে যদি নির্দিষ্ট কোনও তারিখ থেকে না থাকে, সে ক্ষেত্রে ফাউন্ডেশনের বয়স দু’বছর হয়ে গেলে ফেলে দেওয়াই ভাল।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।