ডায়াবিটিস থাকলে ইচ্ছে থাকলেও অনেক ফল এড়িয়ে যেতে হয়, কিন্তু খেতে পারেন কোনগুলি তা জেনে নিন

3rd February 2024 6:35 pm Country News
ডায়াবিটিস থাকলে ইচ্ছে থাকলেও অনেক ফল এড়িয়ে যেতে হয়, কিন্তু খেতে পারেন কোনগুলি তা জেনে নিন


সুস্থ থাকার সঙ্গে ফল খাওয়ার এক নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। ফল হচ্ছে সমস্থ স্বাস্থ্যকর উপাদানের সমৃদ্ধ উৎস। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা থেকে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা— স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করতে ফলের ভূমিকা অনবদ্য। কিন্তু ফলের এত গুণ থাকা সত্ত্বেও ডায়াবিটিসের ক্ষেত্রে ফল খাওয়ার বিষয়ে একটু সাবধানতা থাকে। ডায়াবেটিকদের খাওয়াদাওয়া নিয়ে বাড়তি সতর্ক থাকা জরুরি। না হলে মুশকিলে পড়তে হবে। ডায়াবিটিস থাকলে যে কোনও ফল খাওয়া যাবে না। আম, আঙুরের মতো কিছু ফলে চিনির পরিমাণ বেশি থাকে বলে ডায়াবেটিকদের জন্য একেবারেই ভাল নয়। তা হলে কোন ফলগুলি খাওয়া যায়?

নাসপাতি

 

নাসপাতি নির্গুণ, এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই। নাসপাতিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা ডায়াবেটিকদের ডায়েটে অবশ্যই রাখা উচিত। ফ্রুট স্যালাড বানালেও অবশ্যই তাতে নাসপাতি রাখবেন। ডায়াবিটিস থাকলেও নির্ভয়ে খেতে পারেন নাসপাতি। সমস্যা হবে না।

আপেল

 

সারা বছরই বাজারে আপেল পাওয়া যায়। আপেলের গুণাগুণ নিয়ে আলাদা করে বলার কিছু নেই। এতেও প্রচুর ফাইবার রয়েছে। একটি আপেল খেলে পেট অনেক ক্ষণ ভর্তিও থাকবে। ফাইবারের পাশাপাশি কিছু পরিমাণে ভিটামিন সি’ও রয়েছে এই ফলে। শর্করাও নিয়ন্ত্রণে থাকবে, একই সঙ্গে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়বে।

কিউয়ি

 

দাম বেশি, তবে নিঃসন্দেহে উপকারী। তবে সব জায়গায় হয়তো সহজে পাওয়া যায় না। যাঁরা অনলাইনে ফল-সব্জি কেনেন, তাঁরা অবশ্যই সহজেই পেয়ে যাবেন। এতে রয়েছে পটাশিয়াম এবং ভিটামিন সি। এই দুটো উপাদানই ডায়াবেটিকদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। শর্করাও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

 

জাম

 

জামে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রয়েছে যা শরীরের পক্ষে খুব ভাল। যদিও সারা বছর জাম পাওয়া যায় না। গরমকালের ফল হল জাম। সে ক্ষেত্রে বছরের অন্য সময় বিকল্প হিসাবে চেরি খেতে পারেন। খুব সহজে পেয়ে যাবেন। ফ্রুট স্যালাড আরও সুস্বাদু করার জন্য চেরি দারুণ কাজে লাগে। ড্রাই ফ্রুটস হিসেবেও খেতে পারেন চেরি। তবে দেখে নিতে হবে, তাতে বাড়তি চিনি মেশানো রয়েছে কি না।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।