কানে ব্যাথার সমস্যায় নাজেহাল ঘরোয়া টোটকায় মিলবে আরাম

2nd February 2024 9:17 pm Country News
কানে ব্যাথার সমস্যায় নাজেহাল ঘরোয়া টোটকায় মিলবে আরাম


অনেকেই আছেন যারা কানে ব্যাথার সমস্যায় ভোগেন। নানা কারণে হয়ে থাকে এই কানে ব্যাথা। অনেক সময় ইনফেকশনের কারণে কানে ব্যাথা হয়ে থাকে। অনেকসময় আবার কোনও ভাবে জল ঢুকে গেলেও কানে ব্যাথা হয়ে থাকা। তবে কারণ যাই হোক না কেন ঘরোয়া উপায়ে কানের সমস্যার চটজলদি সমাধান পেতে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি-(১) গরম বা ঠান্ডার সেক: তীব্র কানে ব্যাথা থেকে কিছুটা মুক্তি পেতে কানে গরম বা ঠান্ডা কিছুর সেক দিতে পারেন। হট প্যাড দিয়ে ২০ মিনিট সেক করলে বা পেপার টাওয়েলের মধ্যে করে বরফ নিয়ে ২০ মিনিট সেক করলে আরাম মিলতে পারে কানে ব্যাথায়।(২)কানে ম্যাসাজ: কানের চার পাশে হালকা হাতে ম্যাসাজ করলে কানের ব্যাথার থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।কানের আশে পাশের অঞ্চলে ম্যাসাজ করলেও অনেক সময় কানে ব্যাথা কমে। তেমনই যদি কানের পিছনের অংশে ব্যাথা করে তবে তবে চোয়াল এবং ঘাড়ের পেশীগুলি ম্যাসেজ করার চেষ্টা করুন। এতে ব্যাথা অনেকটা কমে যায়।(৩)রসুন: রসুনের গুনাগুন অনেক। রসুন অনেক ব্যাথারই টোটকা হিসাবে ব্যবহর করা হয়। কানে কোনওরকম ইনফেকশন হলে সে ক্ষেত্রে রসুন ব্যবহর করা যেতে পারে। রসুন তেল যা কানের ব্যাথার ক্ষেত্রে অদ্ভুত কার্যকরি। সেই রসুন তেল বানাতে প্রথমে তেল গরম করে তাতে ২-৩ টি রসুনের কোয়া দিয়ে দিন। এর পরে রসুনের রঙ যতক্ষণ না কালচে হয়ে আসছে ততক্ষণ রসুনটা তেলের মধ্যে ফোটাতে থাকুন। এবার এই তেলের ২ফোটা কানে ব্যাথা হলেই কানে দিন দেখবেন কানের ব্যাথা অনেকটা কমে যাবে।(৪) পেঁয়াজ: শুধু রসুনই নয় কানে ব্যাথা হলে ব্যবহার করতে পারেন পেঁয়াজও। পেঁয়াজের ক্ষেত্রে একটি গোটা পেঁয়াজ মাইক্রোওয়েভে ১-২ মিনিটের সেকে নিন তবে এটা গ্যাসেও করতে পারেন। গরম করার পরে ওর থেকে যে জলটা বেরোবে সেটাকেই ইয়ার ড্রপ হিসাবে ব্যবহর করুন। এর পরে ১০ মিনিটের জন্য শুয়ে থাকুন। তার পরে কান থেকে তরলটি বেড়িয়ে যেতে দিন। এই একই উপায়ে ব্যবহার করতে পারেন আদাও।অ্যাপেল সিডার ভিনিগার: কানে ব্যাথার ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে অ্যাপেল সিডার ভিনিগারও। উষ্ম গরম জলের সঙ্গে সম পরিমাণে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে নিন। এরপরে যে কানটিতে ব্যাথা সেটিতে ৫-১০ ফোঁটা এই মিশ্রণটি দিন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।