তারুণ্য ধরে রাখতে চাই কোলাজেন! কোন কোন খাবার নিয়ম করে খেলেই চেহারায় পড়বে না বয়সের ছাপ

31st January 2024 1:37 pm Country News
তারুণ্য ধরে রাখতে চাই কোলাজেন! কোন কোন খাবার নিয়ম করে খেলেই চেহারায় পড়বে না বয়সের ছাপ


বড় পর্দায় শাহরুখ খান, সলমন খান, অক্ষয় কুমারকে দেখে হিংসে হয়? ৫০ পেরিয়ে গেলেও তাঁদের ত্বকে বয়সের ছাপ নেই মোটেও। অথচ আপনার ত্বকে অকালেই বয়সের ছাপ পড়তে শুরু করেছে। কী ভাবে ৫০-এর পরেও তারুণ্যের জেল্লা ধরে রাখেন বড় পর্দার অভিনেতা-অভিনেত্রীরা? উত্তর লুকিয়ে রয়েছে কোলাজেনে।

ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে কোলাজেন নামক প্রোটিনের ভূমিকা অনেকটা। ত্বকের জেল্লা বৃদ্ধি থেকে চুলের গোড়া মজবুত করা সবেতেই প্রয়োজন হয় এই প্রোটিনের। তবে বাড়তি বয়সের সঙ্গে শরীরে কোলাজেনের পরিমাণ কমতে শুরু করে। তা ছাড়াও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস, দূষণ, ধূমপানের অভ্যাস শরীরে এই প্রোটিন উৎপাদনের হার আরও কমিয়ে দেয়। ফলস্বরূপ, অকালেই চেহারায় বয়েসের ছাপ পড়ে, চামড়া ঝুলে যায়, ত্বকের জেল্লা, চুলের নানা সমস্যায় জেরবার হতে হয়। কোলাজেন ত্বককে অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে রক্ষা করে। খাদ্যাভাসে বদল এনে শরীরে কোলাজেনের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব। মূলত প্রাণিজ প্রোটিন কোলাজেনের ভাল উৎস। এমন কিছু খাবার আছে যা শরীরে কোলাজেন উৎপাদনের হার বাড়াতে সাহায্য করে। রইল তারই হদিস।

হাড়ের স্যুপ: চিকেন বা পাঁঠার মাংসের হাড় অনেকেই ফেলে দেন। তবে যৌবনের জেল্লা ধরে রাখতে চাইলে কিন্তু হাড় দিয়েই স্যুপ বানিয়ে ফেলতে পারেন। হাড় দিয়ে তৈরি স্যুপে ভরপুর মাত্রায় কোলাজেন থাকে। মাঝেমধ্যে এমন স্যুপে চুমুক দিতেই পারেন।

ভিটামিন সি: কোলাজেন উৎপাদনে এই ভিটামিনেরও যথেষ্ট ভূমিকা আছে। ত্বক ও চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টটির জুড়ি মেলা ভার। তাই ত্বক ও চুলের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে টক জাতীয় ফল। পেঁপে, টম্যাটো, কাঁচা লঙ্কা লাল ও হলুদ বেলপেপার ইত্যাদি খাদ্যতালিকায় রাখতেই হবে।

 

প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার: অ্যামিনো অ্যাসিড শরীরে কোলাজেন উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যেমন মাংস, ডিম, বিভিন্ন ধরনের বাদাম, টফু, কটেজ চিজ, মাছ, দুধ ইত্যদি শরীরে খেলে অ্যামিনো অ্যাসিডের মাত্রা বাড়ে। ফলে কোলাজেন উৎপাদনের হারও বেড়ে যায়।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।