গলার ক্যানসার হোক কিংবা ফুসফুসের, মারণরোগের নেপথ্যে রয়েছে দৈনন্দিন জীবনের কিছু ভুল

20th January 2024 7:28 pm Country News
গলার ক্যানসার হোক কিংবা ফুসফুসের, মারণরোগের নেপথ্যে রয়েছে দৈনন্দিন জীবনের কিছু ভুল


মারণরোগ থেকে দূরে থাকতে নিয়মানুবর্তিতা প্রয়োজন। অনেকেই শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে যথেষ্ট সচেতন। শরীরের যত্ন নিতে জীবনকে যতটা নিয়মে বাঁধা প্রয়োজন, অনেকেই তার চেয়ে বেশি কিছু করেন। কোথাও খামতি থেকে যাচ্ছে কি না, সে দিকে খেয়াল থাকে সকলেই। কিন্তু এত কিছুর মধ্যেও দৈনন্দিন জীবনে এমন কিছু ভুল হয়ে থাকে, যা অনেক সময় মারণরোগ ডেকে আনে। শরীরের কোনও কোষ অপ্রতিরোধ্য ভাবে বিভাজিত হতে শুরু করলেই তা ক্যানসার। চিকিৎসকেদের মতে, ক্যানসারের নানা কারণ থাকে। তার মধ্যে কিছু ক্ষেত্রে দৈনন্দিন অভ্যাস ও কিছু কাজের হাত ধরেও শরীরে ছড়িয়ে পড়ে মারণরোগের বীজ। তাই সাবধানে থাকতে হবে। এবং তার জন্য জেনে নিতে হবে কোন অভ্যাসগুলি উস্কে দেয় ক্যানসারের প্রবণতা।

প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া

 

প্যাকেটবন্দি মাছ, মাংস, সস, বেকন, সালামি, হ্যামের মতো খাবারের লোভনীয় স্বাদ বার বার এই ধরনের খাবারগুলির দিকে টেনে নিয়ে যায়। তবে এই ধরনের খাবারে কার্সিনোজেন উপাদান রয়েছে। ফলে প্রক্রিয়াজাত খাবার অত্যধিক পরিমাণে খেলে ক্যানসারের বীজ শরীরে প্রবেশ করে।

মানসিক চাপ

 

আধুনিক জীবনে মানসিক চাপ নিত্যদিনের সঙ্গী। মানসিক অস্থিরতা এবং চাপ যে রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে ক্যানসার তার মধ্যে অন্যতম। মানসিক চাপ শরীরকে ভিতর থেকে ক্লান্ত করে ও কোষগুলিকে কমজোরি করে। ফলে কোষ দ্রুত ভাঙতে শুরু করে ও শরীরে ক্যানসারের বীজ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

অত্যধিক দূষণ

 

বায়ুদূষণের কারণে মারণরোগের ঝুঁকিও সমান ভাবে বাড়ে। চিকিৎসকেরা তাই বাইরে বেরোনোর আগে মাস্ক পরে নিতে বলেন। কিন্তু অনেকেই তা করেন না। দূষণের কারণে শরীরে কার্বন ও তার নানা যৌগ জমে। তার হাত ধরেই মারণরোগের প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।

 

ধূমপানের অভ্যাস

 

‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ মলিকিউলার সায়েন্স’-এ প্রকাশিত গবেষণাপত্র জানাচ্ছে, অত্যধিক ধূমপানের কারণে মুখগহ্বরের বিভিন্ন কোষে নানা রকম পরিবর্তন দেখা যায়। ক্যানসার দানা বাঁধার সব রকম উপাদান এতে মজুত। ফলে ধূমপানের অভ্যাস মারণরোগ ডেকে আনে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।