সময় বাঁচাতে রোজ দুধ-ওট্‌স দিয়েই প্রাতরাশ সারেন, তা শরীরে কেমন প্রভাব ফেলে জানেন?

10th January 2024 10:52 am Country News
সময় বাঁচাতে রোজ দুধ-ওট্‌স দিয়েই প্রাতরাশ সারেন, তা শরীরে কেমন প্রভাব ফেলে জানেন?


না চাইলেও প্রতি দিন সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়ে যায়। তাড়াহুড়ো করে নানা রকম ‘ব্রেকফাস্ট’ সাজিয়ে, বসে খাওয়ার সময় থাকে না। সহজপাচ্য এমন কোনও খাবার খেলে সময় যেমন বাঁচে, শরীরও ভাল থাকে। তাই বন্ধুবান্ধবের কথা শুনে ওট্‌স খাওয়া শুরু করেছিলেন। ওট্‌সে যথেষ্ট পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। এ ছাড়া, ওট্‌সের মধ্যে রয়েছে জ়িঙ্ক, ফোলেট এবং ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজ। যা শারীরবৃত্তীয় কাজকর্ম পরিচালনা করার জন্য অন্তত গুরুত্বপূর্ণ। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে ওট্‌স। সকাল সকাল পেট পরিষ্কার নিয়েও বিশেষ চিন্তা করতে হয় না। কিন্তু দীর্ঘ দিন ধরে এক ভাবে এই খাবার খেয়ে গেলে শরীরে তার প্রভাব কেমন, তা জানেন কি?

নেটপ্রভাবী এবং পুষ্টিবিদ দীপালি শর্মা বলছেন, কম ক্যালোরির খাবার হিসেবে ওট্‌স বেশ জনপ্রিয়। তা ছাড়া, এই খাবার সহজপাচ্য বটে। তাই শিশু থেকে বয়স্ক— সকলকেই এই খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে, অনেকেই হয়তো জানেন না, ওট্‌স রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এই খাবারের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। তা ছাড়া, ওট্‌সে যে ধরনের কার্বোহাইড্রেট রয়েছে, তা ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য ভাল। আবার, রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল কিংবা ট্রাইগ্লিসারাইড নিয়ন্ত্রণেও ওট্‌সের হাত রয়েছে। কার্ডিয়োভাসকুলার কোনও রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা এড়াতে চাইলে নিয়ম করে ওট্‌স খাওয়াই যায়। এ ছাড়া, অন্ত্রের মধ্যে থাকা ভাল ব্যাক্টেরিয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে তুলতেও সাহায্য করে ওট্‌স।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।