নতুন বছরে ইউপিআইয়ের দুনিয়ায় মেগা এন্ট্রি টাটার

3rd January 2024 10:51 am Country News
নতুন বছরে ইউপিআইয়ের দুনিয়ায় মেগা এন্ট্রি টাটার


UPI পেমেন্টের জগতে পদার্পণ করতে চলেছে Tata Group। জানা গিয়েছে, দেশের সেই নতুন অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের নাম হতে চলেছে Tata Pay। তার জন্য সংস্থাটি গত 1 জানুয়ারি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া থেকে অ্যাগ্রিগেটর লাইসেন্স পেয়ে গিয়েছে। এই টাটা পে পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মটি টাটা ডিজিটালের অংশ, যা সংস্থার ডিজিটাল উইং।এই ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমেই অনলাইনে ব্যবসা করে টাটা গ্রুপ।

2022 সালে টাটা গ্রুপ তাদের ডিজিটাল পেমেন্ট অ্যাপ্লিকেশন চালু করে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সংস্থাটি আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের সঙ্গে অংশীদারিত্বে ইউপিআই পেমেন্ট করছিল। পাশাপাশি প্রযুক্তি নিয়েও নতুন কৌশল তৈরি করছে প্রতিষ্ঠানটি। এখন এই টাটা পে, টাটা গ্রুপের দ্বিতীয় পেমেন্ট ব্যবসা হতে চলেছে। গ্রামীণ ভারতে পরিচালনার জন্য সংস্থাটির কাছে ইতিমধ্যেই ‘হোয়াইট লেবেল এটিএম’ লাইসেন্সও রয়েছে। কোম্পানির এই ব্যবসার নাম ইন্ডিক্যাশ।

আরবিআইয়ের তরফে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, টাটা এর আগেও প্রিপেড পেমেন্ট ব্যবসায় (মোবাইল ওয়ালেট) হাত লাগিয়েছে। কিন্তু তাতে সেরকম সাড়া মেলেনি। তারপরে সংস্থাটি 2018 সালে লাইসেন্স জমা দিয়ে দেয়। ডিজিটাল পেমেন্ট স্টার্টআপের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ‘পেমেন্ট অ্যাগ্রিগেটর লাইটের মাধ্যমে, টাটা সহায়ক সংস্থার সঙ্গে সমস্ত ই-কমার্স সম্পর্কিত লেনদেন করতে পারবে এবং তার পাশাপাশিই আবার এটি তহবিল পরিচালনার কাজেও অনেক সাহায্য করবে।’

Razorpay, Cashfree, Google Pay-সহ অন্যান্য সংস্থার মতো Tata Payও দীর্ঘ অপেক্ষার পর লাইসেন্স পেয়েছে। PA লাইসেন্সের সাহায্যে যে কোনও কোম্পানিকে অনলাইনে লেনদেন করার অনুমতি দেওয়া হয়।এই লাইসেন্সের দ্বারাই সংস্থাটি তহবিল পরিচালনা করারও অনুমতি পায়। তবে Tata Payর পাশাপাশি DigiO গত 1 জানুয়ারি অনলাইন পেমেন্ট ব্যবসা করার জন্য লাইসেন্স পেয়েছে।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।