এ বছর নজর কেড়েছে আলিয়ার স্ট্রবেরি মেকআপ লুক, বর্ষবরণে কী ভাবে সাজবেন অভিনেত্রীর সাজে?

1st January 2024 9:06 am Country News
এ বছর নজর কেড়েছে আলিয়ার স্ট্রবেরি মেকআপ লুক, বর্ষবরণে কী ভাবে সাজবেন অভিনেত্রীর সাজে?


বর্ষবরণের রাতে প্রিয়জনের সঙ্গে ডেটে যাচ্ছেন? কী পরবেন ভেবে নিলেও মেকআপ কেমন হবে ঠিক করতে পারছেন না? এ ক্ষেত্রে মুশকিল আসান করতে পারেন অভিনেত্রী আলিয়া ভট্ট। ২০২৩ সালে তাঁর ‘নো মেক আপ’ লুক বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আলিয়া ভট্টের কারণে এই লুক আরও বেশি মনে ধরেছে তরুণীদের। সম্প্রতি বন্ধুর বিয়েতে এমনই স্ট্রবেরি মেকআপ লুকে ধরা দিয়েছেন অভিনেত্রী। ছিমছাম হলেও নজরকাড়া ছিল সেই লুক। এই লুকের বৈশিষ্ট্য হল, মেক আপ করবেন, অথচ দেখে বোঝা যাবে না যে মেক আপ করা হয়েছে। এতটাই স্বল্প এবং স্বচ্ছ মেক আপ করতে হবে যে, এক পলকে দেখলে মনে হবে মুখের নিজস্ব আভা। ব্রোঞ্জার, গ্লসি লিপ আর স্ট্রবেরি রঙের ব্লাশ দিয়েই সেজে উঠতে পারেন আলিয়ার সাজে।

বর্ষবরণের রাতে আলিয়ার স্ট্রবেরি মেকআপ লুকে আপনিও নজর কাড়তে চান প্রিয়জনের? ৫ নিয়ম মাথায় রেখে চললেই নজরকাড়া হবে আপনার সাজ।

 

১) আলিয়ার সাজের সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো বিষয় হল তাঁর জেল্লা। মেকআপের পরেও আলিয়ার মতো জেল্লাদার ত্বক পেতে চাইলে কিন্তু ফাউন্ডেশনের বদলে ফেস টিন্ট ব্যবহার করুন। ত্বক জেল্লাদার ও চকচকে দেখাতে এই প্রসাধনীটি ব্যবহার করতেই পারেন।

২) ব্লাশ ব্যবহারের সময় ‘ডাব্লিউ’ পদ্ধতি মেনে চলুন। বাঁ কানের পাশ থেকে হনুর হাড় বরাবর নাকের উপর দিয়ে ডান কান অবধি ব্লাশ দিয়ে লাগান। তার পর মেকআপ ব্লেন্ডার দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। স্ট্রবেরির মতো গোলাপি গাল পাবেন সহজেই।

 

৩) সাধারণ আইশ্যাডো ব্যবহার করলে বড্ড বেশি চকচকে লাগে? দেখে মনে না হলেও আলিয়া কিন্তু আইশ্যাডো ব্যবহার করেন। তবে সাধারণ আইশ্যাডোর বদলে লিকুইড ব্লাশ ব্যবহার করেন। তার পর একই রঙের শিমার আইশ্যাডো হালকা করে ব্যবহার করুন।

৪) লিপ গ্লসের আগে লিপ লাইনার অবশ্যই ব্যবহার করুন। আলিয়া সব সময়ই ন্যুড শেডের লিপ গ্লস কিংবা লিপ টিন্ট ব্যবহার করে। স্ট্রবেরি মেকআপ লুক আনতে গোলাপি ঘেঁষা লিপ গ্লস কিংবা লিপ টিন্ট লাগান।

 

৫) আলিয়ার মতো জেল্লাদার ত্বক পেতে অবশ্যই হাইলাইটার ব্যবহার করুন। এ ক্ষেত্রে লিকুইড হাইলাইটার ব্যবহার করলে আরও বেশি ভাল ফল পাবেন। লিকুইড হাইলাইটার না থাকলে স্কিন টিন্টের সঙ্গে সাধারণ হাইলাইটার মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন।





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।