২০২৭ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ কারা? কোন কোন দল খেলছে?

22nd November 2023 9:03 am Country News
২০২৭ সালের বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ কারা? কোন কোন দল খেলছে?


সদ্য শেষ হয়েছে ২০২৩ সালের বিশ্বকাপ (2023 Football World Cup)। এরমধ্যেই পরের ওয়ান ডে বিশ্বকাপ নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। ২০২৭ সালে ফের ওয়ান ডে বিশ্বকাপ আয়োজিত হবে। সেই বিশ্বকাপের আসর বসতে চলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয় ও নামিবিয়ায়। এর আগে ২০০৩ সালে বিশ্বকাপের আসর বসেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবোয়েতে।তবে এই প্রথমবার নামিবিয়া বিশ্বকাপ আয়োজন করতে চলেছে। মোট ১৪টি দেশ অংশ নিচ্ছে আসন্ন টুর্নামেন্টে। ২০২৭ সালের অক্টোবর, নভেম্বরে বসবে এই টুর্নামেন্টের আসর। দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবোয়ে আয়োজক হিসেবে টুর্নামেন্টে অংশ নেবে। আইসিসি ওয়ান ডে ক্রমতালিকায় প্রথম আট দল সরাসরি অংশ নেবে। এছাড়াও বাকি চারটি দল বাছাই করা হবে গ্লোবাল কোয়ালিফায়ার টুর্নামেন্ট থেকে। এই টুর্নামেন্টে দুটো গ্রুপে মোট ৭টি করে দল থাকবে। প্রতিটি গ্রুপের তিনটি করে দল সুপার সিক্সে খেলবে। এরপর সেখান থেকে প্রথম দুটো করে দল সেমিফাইনালে জায়গা করে নেবে। এর আগে ২০০৩ বিশ্বকাপেও এই সুপার সিক্স ফর্ম্যাটে খেলা হয়েছিল। যদিও এখনও পর্যন্ত ২০২৭ বিশ্বকাপের ভেনু সেভাবে ঘোষিত করা হয়নি। অর্থাত্‍ সূচি, কোনদিন কার ম্য়াচ এগুলো ঘোষণা করা হয়নি। উল্লেখ্য, ২০০৩ বিশ্বকাপে মোট ১২টি স্টেডিয়ামে খেলা হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবোয়ের। একটি ম্যাচ কেনিয়াতে খেলা হয়েছিল। উল্লেখ্য, গত রবিবার ষষ্ঠবারের জন্য ওয়ান ডে বিশ্বকাপ জিতে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। ভারতকে ৬ উইকেটে হারিয়ে দিয়েছে তারা। প্রথমবার ১৯৮৭ সালে অ্য়ালান বর্ডারের নেতৃত্বে বিশ্বকাপ জেতে অস্ট্রেলিয়া। এরপর ১৯৯৯ সালে স্টিভ ওয়ার নেতৃত্বে দ্বিতীয়বার। এরপর ২০০৩, ২০০৭ সালে রিকি পন্টিংয়ের নেতৃত্বে পরপর ২ বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় অজিরা। ২০১৫ সালে মাইকেল ক্লার্কের নেতৃত্বে ঘরের মাঠে খেতাব জেতে অজিরা। আর এবার প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বে বিশ্বকাপ জয়ের হেক্সা অস্ট্রেলিয়া শিবিরের।প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ২৪০ রান বোর্ডে তুলে নেয় ভারত। বিরাট ও রাহুল ছাড়া আর কোনও ব্যাটার অর্ধশতরানের গণ্ডি পেরতে পারেনি। এরপর ব্যাট করতে নেমে ১৩৭ রানের ঝকঝকে শতরান করেন ট্রাভিস হেড। 





Others News

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |

হাইব্রিড সোলার সেলের যুগান্তকারী সাফল্য |


বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যখন শক্তির তীব্র সংকট এবং জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া, তখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জগৎ থেকে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক খবর সামনে এসেছে। সৌর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা এমন এক অসামান্য সাফল্য অর্জন করেছেন, যা আগামী দিনে পৃথিবীর শক্তির চাহিদা মেটানোর চিত্রটাই বদলে দিতে পারে।

যুগান্তকারী আবিষ্কারটি কী?

দশকের পর দশক ধরে আমরা যে সাধারণ 'সিলিকন' সোলার প্যানেল ব্যবহার করে আসছি, তার বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা (efficiency) সাধারণত ২০% থেকে ২৪%-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ট্যান্ডেম পেরভস্কাইট-সিলিকন (Tandem Perovskite-Silicon) নামক এক নতুন প্রযুক্তির সোলার সেল তৈরি করেছেন, যা সৌরশক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে ৩৪%-এরও বেশি কার্যকারিতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটি সৌরবিদ্যুৎ প্রযুক্তির ইতিহাসে এক অবিশ্বাস্য লাফ।

কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই নতুন প্রযুক্তির প্রভাব সুদূরপ্রসারী:

  • অল্প জায়গায় বেশি বিদ্যুৎ: এই প্যানেলগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। ফলে, শহরাঞ্চলে যেখানে বাড়ির ছাদে জায়গা কম থাকে, সেখানে অল্প প্যানেল ব্যবহার করেই অনেক বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

  • পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধ: জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, খনিজ তেল) পোড়ানোর ফলে যে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবেশে মেশে, এই প্রযুক্তি তার একটি শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। এটি বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) কমাতে সরাসরি সাহায্য করবে।

  • বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব: যেহেতু এই সেলগুলো ছোট জায়গায় বেশি শক্তি তৈরি করতে পারে, তাই আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ির (EV) ছাদে এই ধরনের প্যানেল লাগিয়ে চলাকালীন অবস্থাতেই গাড়ি চার্জ করার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যাবে।